
গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় প্রকল্পগুলির খবর ছড়িয়ে দিচ্ছেন তাঁরা
লোকমেলায় পটচিত্র সাজিয়ে বসেছেন পিংলার মণিমালা চিত্রকর। গাইছেন, ‘শোনেন দাদাভাই, শোনেন দিদিভাই, কন্যাশ্রী প্রকল্পের কথা আমরা বলে যাই।’ এরপর সবুজ সাথী-র গুণকীর্তন। একটু দূরেই কোচবিহারের নিশারানি রায়। বিক্রির জন্য পুতুল সাজিয়ে বসেছেন। ক্রেতা সামলানোর ফাঁকে ফাঁকে, তাঁর গলাতেও কন্যাশ্রী ও সবুজ সাথী-র গান। ক্রেতারাও, পুতুল কিনতে এসে জেনে নিচ্ছেন সরকারি প্রকল্পগুলির সম্পর্কে।
শুধু মেলাই নয়, স্কুল, বাজার, সরকারি হাসপাতাল, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান – সব জায়গাতেই লোকশিল্পীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকল্পগুলির সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করছেন স্থানীয় মানুষদের। লোকশিল্পীরাও উপকৃত হয়েছেন প্রকল্পগুলিতে। প্রত্যেক মাসে হাজার টাকা ভাতা ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে ডাকও পাচ্ছেন। তাই তাঁরা গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এখন ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রকল্পগুলির খবর।
মণিমালা চিত্রকর কিংবা নিশারানি রায়ের মতে, সরকারের সহায়তায় খেয়ে-পরে বাঁচার পাশাপাশি নিজেদের শিল্পকর্মকেও মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছেন তাঁরা। সরকার পট বা পুতুল তৈরির টাকা না জোগালে, বহু শিল্পীই হারিয়ে যেতেন অভাবের তাড়নায়।
