
রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি
৮ বছর পর আবার বন্যার সতর্কতা দিল ডিভিসি। ডিভিসি প্রথমবার বন্যার সতর্কতা দিয়েছিল ২০০৯ সালে। এই পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি দায়ী করছে ঝাড়খন্ডের আবহাওয়াকে। দুর্গাপুর ও মাইথন থেকে দুপুরের পর থেকে জল ছাড়া হয়নি। কিন্তু পাঞ্চেত থেকে এখনও জল ছাড়া অব্যাহত। ঝাড়খণ্ডের তেলুঘাট থেকে জল ছাড়ার জন্য এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি কমে গেলেও ঝাড়খন্ডে এখনও বৃষ্টি হচ্ছে। তার ফলে বাড়ছে নদীগুলির জল। জল বাড়ছে দ্বারকেশ্বর, রূপনারায়ন, কোপাই, গন্ধেশ্বরী, কুয়ো, দামোদরসহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন নদী। হাওড়া, হুগলী, বর্ধমান, পূর্ব-মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া বিভিন্ন জেলায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জলস্তর বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশকিছু নদীর বাঁধ। জল বাড়ায় গঙ্গায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। খড়দহ কুলিন পাড়ায় গঙ্গায় পারের অনেকটা অংশ চলে গেছে গঙ্গাবক্ষে। বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের মন্ত্রী জাভেদ খান জানান, কমপক্ষে ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। মারা গেছেন চারজন। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের মোট ১৫০ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কালচিনি, কুমারগ্রাম, ডাবরা, ফুলবাড়ি। ৪৩ ত্রান শিবির খোলা হয়েছে। সিকিম ও ভূটানে প্রবল বৃষ্টি হওয়ায় ডুয়ার্স এলাকায় নদীগুলির জল বাড়ছে। লাটাগুড়ি ও জলদাপাড়া অভয়ারণ্য ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বন্যায়।
