বাড়ছে মাছের আঁশ শিল্পের চাহিদা

মাছ আঁশ থেকে তৈরি হচ্ছে গয়না, মণীষী, দেবদেবীর মূর্তি

মাছ কাঁটার পর যে আঁশ ফেলে দেওয়া হয় ডাস্টবিনে, তার থেকেই তৈরি হচ্ছে অপরূপ সব হস্তশিল্প। বানানো হচ্ছে গয়না, মনীষী এবং দেবদেবীর মূর্তি। এই সব শৌখিন কাজ স্থান পাচ্ছে মানুষের সাজে পোশাকে, ড্রয়িং রুমেও। সৌজন্যে পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ বিভাগ এবং কাশীপুর ব্লক কৃষি দপ্তর।

আমাদের রাজ্যে মাছের আঁশ দিয়ে প্রথম শিল্পের কাজে লাগিয়েছিলেন দক্ষিণ পরগণার কুলপির বাসিন্দা আমিরুল মল্লিক। সেই আমিরুলের দিয়ে জেলায় জেলায় মাছের আঁশ শিল্পের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিল মৎস দপ্তর। তাঁর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে হুগলির ধনিয়াখালির বাসিন্দা শক্তি পাত্র এখন নিজেই প্রশিক্ষক হয়ে উঠেছেন। এই শক্তি পাত্রের কাছেই কাশীপুর পঞ্চায়েত সমিতির ৪টি স্বনির্ভর দলের ৮ জন সদস্যকে কৃষি দপ্তরের আর্থিক সহায়তায় গয়না তৈরির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের বানানো গয়না বিক্রিও হয়েছে বাজারে। 

এখন মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি জিনিসের অনলাইনেও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। দুই থেকে পাঁচ কেজি ওজনের মাছ হলে তার আঁশ থেকে তৈরি হয় ভালো গয়না।  
 

Developed by DXDasia