গরিব, প্রান্তিক মানুষদের জরুরি পরিষেবা দেবে এই অ্যাম্বুলেন্স
রিক্সা নিয়ে লাদাখ গেছিলেন বারুইপুরের সত্যেন দাস। তারপর চারপাশের জীবন অনেকটা বদলে গেল। নাম উঠল লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে। ইন্দ্রানী চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘লাদাখ চলে রিক্সাওয়ালা’ নামক তথ্যচিত্রটির মূল চরিত্রও সত্যেন। এরপরেও, সমাজকর্মী সত্যেন দাসের জীবন ঘুরছিল রিক্সার চাকার সঙ্গে জুড়েই। একদিকে হাজারো স্বপ্ন, নানাকিছু করার ঝোঁক আর অন্যদিকে অভাব—এই দুইয়ের মাঝে আটকে পড়েছিলেন তিনি।

এমন সময়েই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন বারুইপুরের নাড়িদানা স্বপ্নসন্ধানের সদস্যরা। তাঁরা সত্যেনের হাতে তুলে দিচ্ছেন একটি পরিবেশ-বান্ধব অ্যাম্বুলেন্স। নাড়িদানা স্বপ্নসন্ধানীকে এই গ্রামীন সেবাযানটি দান করেছিল গোবরডাঙা প্রিজম। তারাই এই যানের উদ্ভাবক। সৌরশক্তি চালিত এই অ্যাম্বুলেন্স সম্পূর্ণ পরিবেশ-বান্ধব। এতে থাকছে অক্সিজেন ও সেলাইনের ব্যবস্থা। এই সেবাযানটি চালানোর দায়িত্ব নিচ্ছেন সত্যেন দাস। তিনি নিজেও পরিবেশ ও সমাজকর্মী। এই অ্যাম্বুলেন্স এলাকার গরিব-গুর্বো, প্রান্তিক মানুষদের বাড়ির সামনে পৌঁছে যাবে। শিশু, বয়স্ক মানুষ বা গর্ভবতী মহিলাদের জরুরি পরিষেবাও পৌঁছে দেব এই অ্যাম্বুলেন্স। এইসব মানুষরা কেউই টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্সের পরিষেবা পান না। অথচ, এক্ষেত্রে খরচা পড়বে নামমাত্র। সেই খরচ থেকেই সত্যেন দাসের সংসারের ব্যয়ও উঠে আসবে। পাশাপাশি, সমাজের বিপুল অংশের মানুষকে সাহায্যও করবে এই সেবাযান।
এমন পরিবেশবান্ধব অ্যাম্বুলেন্সকে ঘিরে স্বপ্ন জড়ো হচ্ছে বারুইপুরে।