
সংস্কার শুরু হয়েছে লাভপুরের ‘ধাত্রীদেবতায়’
লাভপুরে তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ির নাম ‘ধাত্রীদেবতা’। প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন এই বাড়ির কাঠামো ধুঁকছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। মাটির তৈরি বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছিল। দিন দিন খারাপ হচ্ছিল বাংলার বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিকের স্মৃতিবিজড়িত এই ঐতিহাসিক বাড়ির হাল। তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১২১তম জন্মদিনে এই বাড়িটি সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করেন বীরভূম জেলাপরিষদের সভাপতি। ৩২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয় সংরক্ষণের জন্য। সেই কাজই শুরু হয়েছে। নতুনভাবে সেজে উঠছে ‘ধাত্রীদেবতা’। গড়ে তোলা হবে সংগ্রহশালাও। কাজ শেষ করার জন্য এক বছরের সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
ঠিক হয়েছে, মাটির তৈরি পুরোনো কাঠামো ভেঙে ফেলে ঠিক আগের আদলেই নতুন করে গড়া হবে ভবনটি। কিন্তু এবারের ভবনটি আর মাটির তৈরি হবে না। পাকা করেই গড়ে তোলা হবে তাকে। প্রবেশপথের তোরণটি অবশ্য ভাঙা হয়নি। সেটিকে জুড়ে দেওয়া হবে মূল ভবনের সঙ্গে। তীব্র গরমেও বাড়িটি যাতে ঠান্ডা থাকে, সেই জন্য পাঁচিলের মধ্যে বালি ভরে দেওয়া হচ্ছে। এই বাড়িতে সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হবে। সেখানে তারাশংকরের ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্রও রাখা হবে বলে সরকারি সূত্রে খবর।
