পুরভোটের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত দার্জিলিং জেলাপ্রশাসন

জেলার প্রথম মহিলা জেলাশাসকের কাছে চ্যালেঞ্জ পুরভোট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার

১৪ মে পাহাড়ের পুরসভাগুলোয় ভোট। আর গত ১০ মার্চ দার্জিলিং জেলার প্রথম মহিলা জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জয়শি দাশগুপ্ত। কালিম্পং আলাদা জেলা হয়ে যাওয়ায় এই জেলাপ্রশাসনের অধীনে তিনটি পুরসভায় এবার ভোট। দার্জিলিং, কার্শিয়াং এবং মিরিক। এর মধ্যে মিরিক সদ্য নতুন মহকুমা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দায়িত্ব নিতে না নিতেই নির্বিঘ্নে পুরভোট পরিচালনা করা এখন নতুন জেলাশাসকের কাছে চ্যালেঞ্জ।

এতদিন পাহাড়ে ভোট মানেই ছিল সন্ত্রাস, দাদাগিরি, হুমকির চেনা ছবি। এখন সেখানে পরিবর্তনের ছায়া। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বারবার পাহাড় সফরের কারণে শাসক দলের সংগঠন ব্যাপক হারে শক্তি বৃদ্ধি করেছে। পুরভোটের লড়াইয়ে তৃণমূলের সঙ্গে আছে জিএনএলএফ। প্রধান প্রতিপক্ষ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। এর বাইরে রয়েছে হরকা বাহাদুর ছেত্রীর জন আন্দোলন পার্টি। কিন্তু কালিম্পং-এর বাইরে এই দলের কোনও প্রভাব না থাকায় পাহাড়ে পুরভোটের মূল লড়াই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা বনাম তৃণমূল।

মিরিকে ৪৬, দার্জিলিং-এ ১১৮ এবং কার্শিয়াং-এ ৮৬; সব মিলিয়ে ২৫০ জন প্রার্থী রয়েছেন এবারের ভোট যুদ্ধে। কার দখলে থাকবে পাহাড়ের পুরসভা? ভোটের কাউন্টডাউন শুরু হতেই তৎপর জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক জয়শি দাশগুপ্ত বঙ্গদর্শনকে বললেন, নির্বাচন শান্তিতে সম্পন্ন করতে প্রশাসন প্রস্তুত।সিআরপিএফ-এর পাহারায় নির্বিঘ্নেই হয়েছে মনোনয়ন পত্র দাখিলের কাজ।  ভোট পর্ব পার হলে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার পরিকল্পনা আছে তাঁর। তিনি জানান, দার্জিলিং-এ আইটি পার্ক, ইকোট্যুরিজম এবং হোম ট্যুরিজমের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুরু হয়েছে পথের সাথী মোটেল তৈরির কাজও। রাস্তায় এলইডি লাইট লাগিয়ে রাতের দার্জিলিং-কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার কাজ চলছে জোরকদমে।       

Developed by DXDasia