জীবনের ছন্দে ফিরছে উত্তরবঙ্গের চা-বাগান

ইতিমধ্যেই খুলেছে বীরপাড়া, হানটাপাড়া, দলসিংপাড়া চা-বাগান। সম্ভাবনা রয়েছে শীঘ্রই তুলসিপাড়া চা-বাগান খোলার

একসময় উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা-বাগানগুলি থেকে রোজই খবর আসত শ্রমিক মৃত্যুর। খাদ্যের অভাবই তার প্রধান কারণ। এখন অনেকটাই বদলেছে পরিস্থিতি। চা-বাগানের শ্রমিকরা কার্যত বিনামূল্যে পাচ্ছেন চাল, গম। ২ টাকা কেজি দরের চালের মধ্যে মাত্র ৪০ পয়সা দিতে হচ্ছে শ্রমিককে। বাকি ১ টাকা ৬০ পয়সা মালিক দেবেন। ফলে ‘অনাহারের দুর্দিন’ ঘুচেছে শ্রমিকদের।

আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোহন শর্মা জানান, বন্ধ ও রুগ্ন বাগানগুলির মধ্যে ডিমা, রায়মাটাং, গাঙ্গতিয়া, চুয়াপাড়া, মেচপাড়া চা-বাগানে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পানীয় জল ও রাস্তাঘাটের জন্য নেওয়া হয়েছে ২৯ কোটি টাকার প্রকল্প। শুরু হয়েছে চা বাগানের বিভিন্ন বস্তিতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কাজও। ইতিমধ্যেই খুলেছে বীরপাড়া, হানটাপাড়া, দলসিংপাড়া চা-বাগান। সম্ভাবনা রয়েছে তুলসিপাড়া চা-বাগান খোলারও। ডানকানস, বান্দাপানি, রামঝরা, মধু প্রভৃতি চা-বাগানের অচলাবস্থা নিরসনের চেষ্টাও চলছে।

মালবাজার মহকুমাতে বন্ধ থাকা মানাবাড়ি চা-বাগানের শ্রমিক সংখ্যা ১১০০, কুমলাইতে ৪০০ ও ধরণীপুরে ৩০০। মালবাজারের শ্রম দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চা-বাগানগুলিতে পরিবার পিছু ২০ কেজি চাল, ১৫ কেজি আটা দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে কেরোসিন ও চিনি। এর ফলে শ্রমিক মৃত্যুর হার কমেছে অনেকটাই। অপেক্ষাকৃত উন্নত হয়েছে পরিস্থিতি।

Developed by DXDasia