
রঘুনাথপুর হাসপাতালে নজির গড়লেন তিন শিক্ষক
হরিহরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমল মণ্ডল গিয়েছিলেন ভোটের ডিউটি করতে। এক ভোটকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে নিয়ে ছুটে যান কাছের এক হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে দেখেন আশেপাশে কোনো খাবারের দোকান নেই, ফলে খালি পেটেই থাকতে হচ্ছে রোগী ভর্তি করতে আসা পরিজনদের। তাঁর দুই বন্ধু সজল মাজি এবং বীরেশচন্দ্র লায়েকেরও কমবেশি একই রকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল আলাদা আলাদা জায়গায়। তিন বন্ধু মিলে তারপর একটা ক্যান্টিন খুলে বসলেন রঘুনাথপুর হাসপাতালের সামনে, যেখানে অত্যন্ত কম দামে ডাল-ভাত পাওয়া যাবে।
সজল মাজি এবং বীরেশচন্দ্র লায়েকও স্কুল শিক্ষক। সালকা মাহাতো ডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সজল মাজি এবং আদ্রা নিগম নগর হাইস্কুলে বীরেশচন্দ্র লায়েক শিক্ষকতা করেন। পাঁচ টাকার বিনিময়ে রোগীর পরিজনদের তাঁরা পেটপুরে খাওয়াচ্ছেন ভাত, ডাল, সব্জি, আলু ভাজা আর আচার। আপাতত যতদিন স্কুল ছুটি থাকবে ততদিন চলবে তাঁদের অস্থায়ী ক্যান্টিন। প্রথমে নিজেদের অর্থেই ক্যান্টিন শুরু করেছেন তাঁরা, তারপর বেশ কিছু সহৃদয় মানুষ আর্থিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন।
