
ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন বাংলাদেশের ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক’ উৎসব। এ বছর এই উদযাপন পা দিল পঞ্চাশ বছরে
ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এখন বাংলাদেশের ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক’ উৎসব। এ বছর এই উদযাপন পা দিল পঞ্চাশ বছরে। অর্ধ শতাব্দী ধরে পথ চলতে চলতে ছায়ানটের এই উদ্যোগ জড়িয়ে নিয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীন চিন্তাকামী শুভবুদ্ধি সম্পন্ন সৃজনশীল ব্যক্তিত্বদের। ২৪ মার্চ ছায়ানট মিলনায়তনে বর্ষবরণের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানান সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা। সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার প্রধান সনজীদা খাতুন।
৩১ মার্চ ছায়ানট ভবনে বর্ষবরণের ৫০ বছর পূর্তির দ্বিতীয় অনুষ্ঠানে ছিল অভিযাত্রার স্মারক প্রদর্শনী, নৃত্য এবং সঙ্গীত। ৭ এপ্রিল ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের মিলনায়তনে ছিল তৃতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান। সংগীতানুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা এবং বর্ষপঞ্জী প্রকাশ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সনজীদা খাতুন।
১৪ এপ্রিল রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষের আবাহন। পরাধীন অবস্থায় পাকিস্তানের চোখ রাঙানি সহ্য করেও ১৯৬৭ সালে ঢাকার রমনা উদ্যানে প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ছায়ানট আয়োজিত বর্ষবরণ। ১৯৭১-র মুক্তিযুদ্ধের বছর ছাড়া প্রতিটি ১লা বৈশাখেই ছায়ানট নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে এসেছে সুরের মূর্ছনা আর কথামালায়।
