
চাইলে এখন টবেও ফলবে এই ফসল
লাল-হলদে-সবুজ-কমলা রঙের ক্যাপসিকাম। ভিটামিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফসলের চাহিদা সারা বছরই বেশ ভালোই। মূলত শীতকালীন ফসল হিসেবে পরিচিত ক্যাপসিকাম এখন চাষ করা সম্ভব শীতেও। তেমনই হদিশ দিচ্ছেন উদ্যানপালন বিশেষজ্ঞরা।
৫০০ বর্গ মিটার পলিহাউসে মাটি দিয়ে ক্ষেত্র প্রস্তুত করে লাগানো যায় এক হাজারের বেশি ক্যাপসিকাম চারা। পলিহাউসে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে বলে এপ্রিল-মে মাসের গরমেও দিব্বি ক্যাপসিকাম চাষ করা সম্ভব। প্লাস্টিক ট্রেতে মাটি ও জৈবসার মিশিয়ে তাতে বীজ বুনে তৈরি করা যেতে পারে চারা। এই চারাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য অবশ্য বেশ কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। ব্যাভিস্টিন বা ডাইথেন ব্যাভিস্টিন মিশ্রণ ১ গ্রাম প্রতি লিটার জলে মিশিয়ে স্প্রে করা ছাড়াও ইমিডাক্লোপ্রিড আঠা সহযোগে স্প্রে করাটা জরুরি। এতে সাদা মাছির আক্রমণ ঠেকানো যায়।
ঠিকমতো চাষ করলে পলিহাউসে প্রায় ২০ কুইন্টাল ক্যাপসিকামের ফলন মিলতে পারে। এখন চাইলে বাড়ির টবেও ফলানো সম্ভব এই ফসল। শুধু সাদা মাছির আক্রমণ ঠেকাতে হবে। লাল ক্যাপসিকামের উন্নত জাতগুলি হল অদিতি, আশা, ক্যালিফোর্নিয়া ওয়ান্ডার ইত্যাদি। অ্যাঞ্জেল, গোল্ডেন ইয়েলো, অর্কা গৌরব হল উন্নতমানের হলুদ ক্যাপসিকামের জাত। এছাড়াও কালার-৮, আইএসপি-৭-এর মতো কমলা, নিকিতার মতো বেগুনি, কালার-৬-এর মতো সাদা ক্যাপসিকামের জাতের চাহিদা বাজারে ভালোই।
খোলামাঠের দরকার নেই, পলিহাউজে বা টবেও এখন ফলবে ক্যাপসিকাম। এমনকি ভরা গ্রীষ্মেও।
