অবিশ্বাস্য! ডাক্তারেরা হাল ছেড়ে কেমো বন্ধ করতেই উধাও ক্যানসার

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা

জন্মের পর তাকে হাসপাতালে ফেলেই উধাও হয়ে গিয়েছিল মা। সেই খুদের শরীরে মেরুদণ্ডের নিচে খোঁজ মেলে এক বিশাল টিউমারের। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষই শিশুটির দায়িত্ব নেয়। নাম রাখা হয় মিনু।

শিশুটির চিকিৎসা করতে আইনি কাগজপত্র প্রয়োজন। সেগুলোর বন্দোবস্ত করতে বেস কিছুদিন সময় চলে গিয়েছিল। বায়োপসি করে দেখা যায়, টিউমারে বাসা বেঁধেছে ক্যানসারের এক বিরলতম কোষ। পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে ডাঃ অজয়কুমার দাস এবং প্রফেসর সুকান্তকুমার দাসের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করে সেই টিউমার বাদ দেওয়া হয়। কেমোথেরাপি চালু করা হয়। এমন সময়ে শিশুটির তলপেটে আরেকটি টিউমারের খোঁজ মেলে। সেখানেও দ্রুত বাড়ছিল ক্যানসারের কোষ।

এদিকে কেমোথেরাপির যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছিল না শিশুটি। ডাক্তাররা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, ক্যানসারের যখন শিশুটির মৃত্যু হবেই তখন কেমোথেরাপির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক তাকে। তাই কেমো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এর পরে ঘটে এক আশ্চর্য ঘটনা। কেমোথেরাপি বন্ধ করতেই পেটের টিউমারটি ছোটো হতে থাকে। তারপর মিলিয়ে যায় সেই ক্যানসার-সহ ওই টিউমার। কীভাবে এটা সম্ভব হল, তার কারণ খুঁজছেন ডাক্তাররা। গবেষণা চলছে। অবশ্য মিনু এখনও পুরোপুরি বিপদমুক্ত কিনা তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে তার ৫ বছর বয়স পর্যন্ত। মিনু এখন থাকবে হাসপাতালেরই দায়িত্বে। 

Developed by DXDasia