
৫৫১টি গাছকে চিহ্নিত করে তা কাটতে গিয়ে নিয়মের বাইরেও অনেক গাছ কাটা হয় বলে অভিযোগ
বনগাঁর পর এবার লাটাগুড়ি। গাছ কাটার ট্র্যাডিশন চলছেই। সম্প্রতি ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের পাশ দিয়ে রেলওয়ে ওভার ব্রিজ তৈরি হবে বলে গাছ কাটা শুরু হয়। ৫৫১টি গাছকে চিহ্নিত করে তা কাটতে গিয়ে নিয়মের বাইরেও অনেক গাছ কাটা হয় বলে অভিযোগ। আর সেই কারণেই, সবুজ বাঁচানোর আর্তি আর তার সঙ্গে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই রবিবার শিলিগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, চালসা হয়ে বাইক র্যালি হয় লাটাগুড়ি পর্যন্ত।
পরিবেশপ্রেমীদের তরফে বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরি বলেন, তাঁরা রেল দপ্তরকে পরামর্শ দিয়েছিলেন গাছ না কেটে আন্ডারপাস তৈরির জন্য। কিন্তু সেই পরামর্শ গৃহীত হয়নি। শেষে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। মামলা যায় গ্রিন বেঞ্চে। হাইকোর্টের নির্দেশে জারি হয়েছে গাছ কাটার ওপর স্থগিতাদেশ। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ১৬ মে।
মালদা মহকুমার মহকুমা শাসক ধবল কুমার জৈন আদালতের বিচারাধীন বলে এ-নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। মুখ খোলেনি রেল প্রশাসনও। শিলিগুড়ি শক্তিগড় এলাকার তৃণমূল নেতা কৌশিক দত্ত জানিয়েছেন, ‘গাছের বিকল্প গাছ’ – এই ভাবনা নিয়ে পয়লা বৈশাখ থেকে বনদপ্তরের সহযোগিতায় গাছের চারা বিলি করতে এগিয়ে এসেছেন তাঁরা। এখন আদালতের রায়ের দিকেই তাকিয়ে পরিবেশপ্রেমীদের পরবর্তী কর্মসূচি।
