গত বছর হলে ডাক্তার হত অনিতা

সে আমাদের চাবুক মেরে চলে গেল

বারো ক্লাসের পরীক্ষায় ১২০০–এর মধ্যে ১১৭৬ পেয়েছিল অনিতা। ৯৮% নম্বর তামিলনাড়ুর বোর্ডের পরীক্ষায় যথেষ্ট ভাল। গত বছর পর্যন্ত রাজ্য বোর্ড পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতেই ডাক্তারি পড়তে ভর্তি হওয়া যেত তার রাজ্যে। এ বছর থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট (ন্যাশনাল এন্ট্রান্স অ্যান্ড এলিজিবিলিটি টেস্ট) আবশ্যিক হয়েছে তামিলনাড়ু সহ সারা দেশে, গত বছর পর্যন্ত যা ঠেকিয়ে রাখা গিয়েছিল। মাতৃভাষায় লেখাপড়া করা, গ্রামের দরিদ্র দলিত পরিবারের কন্যা গত বছর হলে অনায়াসে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়ে যেতে পারত। শহরের কোচিং সেন্টারে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ ইংরেজি মাধ্যমে পরীক্ষা দিয়ে নিট–এ সফল হওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন সফল হবে না, এই দুঃখে গত মাসে আত্মঘাতী হয়েছে ১৭ বছরের অনিতা। আর আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার পিঠে কষিয়ে কয়েক ঘা চাবুক মেরে গেছে। এমনকী বিচার ব্যবস্থার সম্পর্কেও তুলে দিয়ে গেছে গুরুতর প্রশ্ন।

(১) বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন: একই মামলায় সুপ্রিম কোর্টেরই চার বছর আগেকার বিচারের রায় উল্টে গিয়ে আগের ঠিকটা যখন রাতারাতি ভুল হয়ে যায়, তখন অনিতা বুঝবে কী করে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার?

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক মিশ্রর (যিনি এখন প্রধান বিচারপতি) নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ চলতি বছরের জুলাই মাসে রায় দিল নিটের পক্ষে। বলে দিল একমাত্র নিটের ভিত্তিতেই দেশের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করতে হবে। এর কোনও ছাড় নেই, কোনও রাজ্যের আলাদা মেডিক্যাল এন্ট্রান্স পরীক্ষা থাকতে পারবে না, রাজ্য বোর্ডের ফলের ভিত্তিতেও ভর্তি করা যাবে না। পরীক্ষা বাতিলের আবেদন গ্রাহ্য না করার পক্ষে আদালতের যুক্তি ছিল, ছয় লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করে ভর্তির মুখে দাঁড়িয়ে আছে, এই অবস্থায় পরীক্ষা বাতিল করলে তাদের প্রতি অবিচার করা হবে। সারা দেশে মেডিক্যাল শিক্ষার সমতার এবং ভর্তির ব্যাপারে স্বচ্ছতার স্বার্থে নীতিগতভাবেও নিটে আপত্তির কিছু দেখেনি এবার সুপ্রিম কোর্ট। নিট নিয়ে আগেও বিভিন্ন আদালতেনানা মামলা হয়েছে। গত বছর নিট শুধু ইংরেজিতেই নেওয়া হয়েছিল, এবার হয় তা ছাড়া বাংলা, তামিল ইত্যাদি আরও আটটি ভাষায়। এর জন্যও আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে।

অনিতার মতো বুদ্ধিমান মেধাবী ছাত্রীর নিশ্চয় জানা ছিল যে দেশের শীর্ষ আদালতের উপরে কোনও কথা চলে না। তবু সে কেন এই আশায় ছিল যে আদালত হয়তো তার মতো মাতৃভাষায় বোর্ডের পরীক্ষার নিরিখে সফল হওয়া প্রার্থীদের ডাক্তারি পড়ার সুযোগ দেবে? এই আশা করার যথেষ্ট ভিত্তি ছিল ঠিক চার বছর আগে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে এই সুপ্রিম কোর্টেরই তদানীন্তন প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চের নিট সংক্রান্ত মামলার রায়। ওই রায়ে মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার এই ধরনের সর্বভারতীয় পরীক্ষা নেওয়ার অধিকারকেই খারিজ করা হয়েছিল। তখন সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য ছিল, মেডিক্যাল বা ডেন্টাল কাউন্সিলের আইন অনুসারে অধিকার এবং কর্তব্য হল চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ উচ্চ মান বজায় আছে কি না তা দেখা। ছাত্র ভর্তি তার মধ্যে পড়ে না। সংবিধানের যৌথ তালিকায় থাকা শিক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলি এ ব্যাপারে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখতেই পারে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও তাদের নিজ নিজ নীতি অনুসারে ছাত্র ভর্তি করতেই পারে, যতক্ষণ না তা কোনও নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করছে। এই রায়ের সুবাদেই প্রস্তাবিত নিট বেশ কয়েক বছর আটকে থাকার এবারই প্রথম সারা দেশে চালু হল।

বোঝাই যাচ্ছে বিচারপতি আলতামাস কবিরের বেঞ্চ রাষ্ট্রের ফেডারেল চরিত্র, রাজ্যের অধিকার, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং সংবিধানসম্মত অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল। আর বিচারপতি দীপক মিশ্রর বেঞ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে দুর্নীতি দমন এবং দেশের সব অঞ্চলের সব মানুষের সমান মানের চিকিৎসা পাওয়া নিশ্চিত করা এবং তার জন্য করণীয় রাষ্ট্রের কর্তব্যের ওপর। দেশের শীর্ষ আদালতের রায় মানতে সকলে বাধ্য। মানা হয়েছে বলেই অনিতা ডাক্তারিতে ভর্তির সুযোগ পায়নি। কিন্তু বিচারের এই বিচিত্র ধারা আবারও সেই আপ্তবাক্যটি স্মরণ করায়: সুপ্রিম কোর্টের রায় অবশ্যই শেষ কথা— কিন্তু তা এই জন্য নয় যে সেটাই সর্বদা প্রকৃত ন্যায়বিচার, সুপ্রিম কোর্টের রায় শেষ কথা এই জন্য যে তার উপরে আর কোনও আদালত নেই।

(২) শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন‌: গত বছর অবধি যে অনিতা অনায়াসে সেরা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারত, হঠাৎ করে এই বছর সে কোন নিরিখে কেন অযোগ্য হয়ে গেল?

এই প্রশ্নের উত্তরেই আলমারি থেকে কঙ্কাল বেরিয়ে পড়ে, শিক্ষা ব্যবস্থায় গভীর অনাচার এবং সুযোগের বৈষম্যের দিকে নজর দিতে আমাদের বাধ্য করে অনিতার আত্মহত্যা।

প্রথমেই আসে সরাসরি দুর্নীতির প্রসঙ্গ। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে টাকা ফেললেই ভর্তি হওয়া যায়, সকলেরই জানা। দক্ষিণের কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে এই ব্যাধি পশ্চিমবঙ্গেও প্রবেশ করেছে বেশ কয়েক বছর হল। ছাত্রের মেধাগত যোগ্যতা যত কম, টাকার অঙ্কটা সেই অনুসারে বেড়ে এক কোটির মতোও হয় বলে শিক্ষার কালোবাজারে শোনা যায়। ক্যাপিটেশন মানি, ডোনেশন, ডেভলাপমেন্ট ফি, কস্ট শেয়ারিং ইত্যাদি নানা রকম নাম থাকলেও সকলেই জানেন আসলে এটা হল পয়সা দিয়ে সিট কেনা; মেধার ঘাটতি টাকা দিয়ে পূরণ করা। অনিতার মতো যাদের মেধা আছে, টাকা নেই তারা এই ব্যবস্থায় অন্যায়ের শিকার। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলির এই ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করা সুপ্রিম কোর্টের এবারের অন্যতম লক্ষ্য। এক এক রাজ্যে এক এক রকম ভর্তির ব্যবস্থার ফলে দেশে অদ্ভুত আঞ্চলিক বৈষম্য ছিল প্রাক–নিট মেডিক্যালে ভর্তির ক্ষেত্রে। নিজ নিজ রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষণের ফলে যে সব রাজ্যে মেডিক্যাল কলেজ কম সেখানকার ছাত্রদের তুলনায় অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যের ছাত্ররা অনেক বেশি সুযোগ পেত। বিভিন্ন রাজ্যের বোর্ডের বারো ক্লাসের শিক্ষার মানে বিপুল বৈষম্য রয়েছে (ভর্তির ক্ষেত্রে সমতা আনার জন্য সিবিএসই–র বিজ্ঞানসম্মত ফর্মুলা অনুসারে কোনও রাজ্যে ৯৬ শতাংশ নম্বর অন্য কোনও রাজ্যে ৮২ শতাংশের সমান)। ফলে কোনও মেডিক্যাল কলেজ যখন সেই রাজ্যের বোর্ডের ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করে,তখন সম–মেধাসম্পন্ন অন্য বোর্ডের ছাত্র বৈষম্যের শিকার হয়।

সবচেয়ে বড় বৈষম্য রয়েছে শিক্ষার মান নয়, শিক্ষার মাধ্যমের ভিত্তিতে। নিটের পূর্বসূরী অত ইন্ডিয়া প্রি মেডিক্যাল টেস্ট শুধুই ইংরেজিতে হত। কিন্তু তার মাধ্যমে শুধু কতিপয় অতি বড় নামধারী মেডিক্যাল কলেজেই (এইমস–এর মতো) ভর্তি হতে হত, ফলে তার বাইরেও অনিতাদের জন্য প্রচুর কলেজে প্রচুর আসন থাকত। নিট দেশের সব কলেজের জন্য বাধ্যতামূলক করার পরেও প্রথম বছর শুধু ইংরেজিত পরীক্ষা হয়েছিল। এই প্রবল অন্যায়ের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, গুজরাট প্রভৃতি রাজ্য আদালতে যায়। তারই জেরে এবার বাংলার মতো আরও আটটি ভারতীয় ভাষায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এগুলিকে কেন সরকারিভাবে ‘আঞ্চলিক ভাষা’ বলা হয়, বোঝা মুশকিল। ইংরেজিটা দেশের কোন অঞ্চলের ভাষা? যাই হোক, বাংলা বা তামিলে প্রশ্নের মাননিয়েও বহু অভিযোগ উঠেছে। বংলা প্রশ্ন বেশি কঠিন কিনা সেই বিচার দুরূহ, কিন্তু বাংলা প্রশ্ন যে ইংরেজির অক্ষম অনুবাদের ফলে দুর্বোধ্য সেটা বিশেষজ্ঞরা স্বীকারই করছেন।

ইংরেজি প্রশ্নে পরীক্ষা দেওয়া বেশি সুবিধাজনক মানেই যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়েছে তারা সুবিধা পাচ্ছে। তারা কারা? নিম্নবিত্তের তুলনায় তারা উচ্চবিত্ত। সমাজের নিম্ন জাত–বর্ণের তুলনায় তারা সমাজের উচ্চ জাত–বর্ণের। গ্রামাঞ্চলের তুলনায় তারা শহরাঞ্চলের। অর্থাৎ, যে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার কথা মুখে সকলেই বলছেন, একটি সরকারি ব্যবস্থা এবং দেশের শীর্ষ আদালতের রায় তার ঠিক উল্টোটা প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করছে। অনিতার আত্মহত্যা এই অন্যায়েরই প্রতিবাদ।

(৩) সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা নিয়ে‌ প্রশ্ন: কেন সারা দেশের চর্চায় নিটের অবিচার গুরুত্ব না পেলেও তামিলনাড়ুর অনিতা প্রতিবাদে ঝলসে ওঠে?

এর সরল উত্তর হল, দেশের শাসকবর্গ এবং মিডিয়ারও একটা অতি বড় অংশের কাছে ‘দেশ’ কথাটার মানে হল দিল্লিকেন্দ্রিক উত্তর ভারত। সেখানকার সঙ্গে অনিতার সমাজের বাস্তব অবস্থার আকাশ–পাতাল ফারাক। বারো ক্লাস পাস করা পড়ুয়াদের কত শতাংশ উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হচ্ছে (গ্রস অনরোলমেন্ট রেশিও বা জিইআর) সেই সূচক তামিলনাড়ুতে হল ৪৪.৩ শতাংশ, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ, জাতীয় গড়ের দ্বিগুণেরও বেশি, বিশ্বের গড়ের চেয়েও দশ শতাংশ বেশি। তামিলনাড়ুতে স্কুলছুট বা ড্রপ আউট বলে এখন আর কিছু নেই, যারা ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হয় সবাই ক্লাস টেন পর্যন্ত টিকে থাকে। অন্যান্য সূচকেও লেখাপড়ায় ছেলেরা আর মেয়েরা সমান।

তামিলনাড়ুর সামাজিক বাস্তবাতাও কিন্তু দেশের মধ্যে অনন্য। ই ভি রামস্বামীর (পেরিয়ার) নেতৃত্বে স্বাধীনতার আগে থেকেই একটি একেবারে স্বতন্ত্র সামাজিক–রাজনৈতিক আন্দোলনের ধারা সেখানে গড়ে উঠেছে। ১৯৪৭–এর ১৫ আগস্ট এবং ১৯৫০–এর ২৬ জানুয়ারি (সংবিধান চালু হওয়া) দিন দুটিই কিন্তু বর্তমান তামিলনাড়ুতে ‘শোক দিবস’ হিসাবে পালিত হয়েছিল। পেরিয়ারের দ্রাবিড় কাঝাগম দলের দাবি ছিল স্বাধীন দ্রাবিড়ভূমি। একাধারে (ক) সামাজিকভাবে ব্রাহ্মণ্যবাদ বা উঁচু জতের আধিপত্য, (খ) রাজনৈতিকভাবে উত্তর ভারতীয় (তথাকথিত আর্যদের) আধিপত্য এবং (গ) ভাষাগতভাবে তামিল সহ অন্য ভারতীয় ভাষার উপর হিন্দির প্রভুত্ববাদ – এই তিনের বিরুদ্ধে ছিল তাঁদের লড়াই। দল ভাঙতে ভাঙতে ডিএমকে, তারপর এআইডিএমকে ইত্যাদি হয়েছে, কিন্তু তামিল সামাজিক–রাজনৈতিক জীবনের এই মূল ধারাটি এখনও সমান বলবতী। ১৯৬৭ সালে দেশে প্রথম ঘোষিত আঞ্চলিক দল ডিএমকে সেই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল। ৫০ বছরেও কিন্তু ছবিটা পাল্টায়নি। তথাকথিত সর্বভারতীয়, উত্তর ভারত–কেন্দ্রিক, হিন্দি–ভাষী নেতৃত্বসম্পন্ন দলগুলি কিন্তু এখনও সেখানে দাঁত ফোটাতে পারেনি।

জাতি পরিচয়ে যারা কাগজে কলমে দলিত, তারাও কিন্তু সামাজিকভাবে তামিলনাড়ুতে উত্তর ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া, কুঁকরে থাকা, মাটিতে মিশে থেকে জো–হুজুর বলা শ্রেণীর মানুষ নন; যদিও আর্থিকভাবে হয়ত একটু দুর্বল। বিএপি–র আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া এ পি জে আবদুল কালাম তামিলনাড়ুর দলিত মুসলিম ছিলেন। উত্তর ভারতে এটা নিয়ে বিজেপি যতটা শ্লাঘা করতে পারে, তামিলনাড়ুতে তার একাংশও নয়। দলিত হলেও লেখাপড়ার সমান সুযোগ পাবে, মেধার জোরে এগিয়ে গিয়ে ভাল কাজ করবে, এগুলো তামিলনাড়ুতে ব্যতিক্রম নয়, নিয়ম। আর তামিল কোনও অংশে বিশ্বের যে কোনও ভাষা – হিন্দি তো বটেই, এমনকী ইংরেজির থেকেও হীন নয়, এটাও সে রাজ্যের মানুষের অন্তরতম বিশ্বাস। এই বাস্তবতার পরিমণ্ডলে থেকেই অনিতার দৃঢ বিশ্বাস ছিল মেডিক্যাল কলেজে সে ভর্তি হতে পারবেই। ইংরেজিতে, দিল্লিকেন্দ্রিক একটি বোর্ডের পরীক্ষা তার জীবনে স্বপ্ন পূরণের অন্তরায় হবে না।

নিজে সব স্বপ্নের ঊর্ধে চলে গেছে অনিতা। যে প্রশ্নগুলো রেখে গেছে সেগুলো আমাদের বোধবুদ্ধিকে অবিরত চাবকাতে থাকছে।

Developed by DXDasia