November 9, 2018 | 12:00 PM

ভাইফোঁটা, ভাইদুজু, ভাইটিকা- এলাহি আয়োজন নলবন ফুডপার্কে

‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা’- এই মন্ত্র অনেক দিদি বা বোনের কাছে বড়ই দুঃখের। কারণ অনেকের দিদি বা বোন নেই কিংবা তাঁরা দূরে থাকেন। ভাইফোঁটার দিন তাই বড্ড মনখারাপ। আর তাই মন ভালো করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তর প্রথমবার আয়োজন করেছে ভাইফোঁটা উৎসব। সেই উপলক্ষে নলবন ফুডপার্কে এলাহি ব্যবস্থা।

ভাইফোঁটা যেমন দেওয়া হবে, তেমনই কব্জি ডুবিয়ে রসনাতৃপ্তির জন্য থাকছে জিভে জল আনা নানারকমের পদ। নলবন ফুডপার্কসহ দপ্তরের রেস্তোরাঁগুলির প্রায় অধিকাংশই মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত। ভাইফোঁটার দিন তাঁরাই অতিথিদের ফোঁটা দেবেন। তার জন্য ধান, দূর্বা, বাটা চন্দনের ব্যবস্থা থাকছে। রেস্তোরাঁতে এলেই মহিলা কর্মীরা স্বাগত জানাবেন আপনাদের। ভাইফোঁটা দেবেন তাঁরা।

ফোঁটা দেওয়ার পর্ব মিটলে পাতে থাকবে বাঙালির চিরন্তন ইলিশ, চিংড়ি, কাঁকড়া, পাবদা, কই, রুই, পমফ্রেট সবরকমের মাছের দুই বাংলার বিভিন্ন ধরণের রেসিপি। পাওয়া যাবে বাংলাদেশের যশোরের বিখ্যাত ‘আচারি ভাপা ইলিশ’। দুধরণের থালির মধ্যে থাকবে একটি গঙ্গা পারের খালি। দুটি থালিতেই থাকছে গলদা চিংড়ির মালাইকারি, ফুলকপি দিয়ে চিংড়ি মাছের ডালনা ও চালতা চাটনি। আবার পদ্মাপারের থালিতে কাতলা মাছের ঝোল, পাবদা, কইমাছের বিভিন্ন রেসিপি। আর সঙ্গে ইলিশ তো থাকছেই।

বাঙালিদের যেমন ভাইফোঁটা, তেমনই কর্ণাটকেও ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে পালন করা হয় ‘ভাইদুজু’ উৎসব। আবার নেপালি বোনেরা ভাইয়ের মঙ্গলকামনায় ‘ভাইটিকা’ উৎসব পালন করেন। দুটি ক্ষেত্রেই যেসব খাবার ভাইদের পরিবেশন করা হয়, সেগুলি কয়েকদিন নলবন ফুডপার্কে পাওয়া যাবে।

ভাইফোঁটা উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকেই খাওয়া-দেওয়ার পর্ব শুরু হয়ে গেছে নলবন ফুডপার্কে। বসে খাওয়ার পাশাপাশি যাঁরা বাড়িতে ভাইফোঁটা পালন করবেন তাঁরা অ্যাপে অর্ডার দিলে রান্না করা খাবার তিন ঘন্টার মধ্যে বাড়িতে পৌঁছে যাবে। দিদি-ভাইদের জন্য এমন আয়োজনকে কুর্নিশ। 

Developed by DXDasia