
আমেরিকার নিউ ইয়র্কে ব্রংস চিড়িয়াখানায় বাঘের শরীরে করোনা সংক্রমণের খবরে চমকে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। সেখানকার এক কর্মীর শরীর থেকেই কোভিড-১৯ ভাইরাস ছড়িয়েছিল বাঘের দেহে। মানুষ থেকে পশুর শরীরে করোনা সংক্রমণের নজির সেটাই প্রথম।
জন্তু জানোয়ারদের নিরাপদে রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এখন পশুদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়মিত মাপা হয়। পরীক্ষা করা হয় তাদের মলমূত্র। পশুপাখিরা খাবার ঠিকঠাক খাচ্ছে কিনা, নজরদারি চালানো হচ্ছে সব সময়ে। তাদের হজমের সমস্যা অথবা স্বাভাবিক আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা গেলেই চিকিৎসকদের জানানো হয়। জন্তুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা খুব একটা সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে বাঘ-চিতার মতো হিংস্র প্রাণীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে প্রচুর। পছন্দের খাবার দিয়ে তাদের প্রলুব্ধ করা হয়। তারা খাওয়ায় মনোযোগ দিলে প্রতিপালকের সঙ্গে চিকিৎসকরা খাঁচায় ঢোকেন। পশুদের মলদ্বারে থার্মোমিটার রেখে তাপমাত্রা পরিমাপ করেন। ভিটামিন ইঞ্জেকশনও দেওয়া হয় তাদের।
কর্মীরা পিপিই স্যুট পড়েই খাঁচায় ঢুকছেন। খাঁচার বাইরে ছড়ানো হচ্ছে জীবাণুনাশক স্প্রে। শিম্পাঞ্জি, চিতা এবং বাঘ-সিংহ অর্থাৎ বেড়ালজাতীয় বড়ো প্রাণীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই, বিশেষ সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্যে এদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। নানা সর্তকতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে অন্য চিড়িয়াখাগুলিতেও।