
ফের নোবেল পাচ্ছেন আরেক বঙ্গসন্তান অভিজিৎ বিনায়ক সেন। অমর্ত্য সেনের পর এবারেও বাংলার নোবেল-প্রাপ্তি অর্থনীতির হাত ধরেই। ঘটনাচক্রে, অভিজিৎ বিনায়ক সেন অমর্ত্য সেনেরই ছাত্র। অভিজিতের পাশাপাশি নোবেল পাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী এস্থার ডাফলো এবং মাইকেল ফার্মার। নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের দারিদ্র্য দূরীকরণে অবদানের জন্যেই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে এই তিনজনকে।
৫৮ বছর বয়সী অভিজিতের জন্ম কলকাতায়। সাউথ পয়েন্টের পর প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্র। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিলাভের পর গবেষণার জন্য পাড়ি জমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বর্তমানে তিনি এমআইটির ফুর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক। একইসঙ্গে অভিজিৎ ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চের সাবেক প্রেসিডেন্ট। মার্কিন প্রবাসজীবনের মধ্যেও শিকড়কে মোটেই ভোলেননি অভিজিৎ। বাংলাভাষাকেও ভোলেননি। ‘শিক্ষক’ অমর্ত্য সেনের মতোই নিজের জন্মভূমিকে গৌরবান্বিত করলেন এই বঙ্গসন্তান।