
লকডাউনের মধ্যেই সুখবর। জওহরলাল নেহরু সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড সায়েন্টিফিক রিসার্চ বা জেএনসিএএসআর-এর একদল বিজ্ঞানী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আনতে চলেছেন বিশেষ রাসায়নিক উপাদান।
বেঙ্গালুরুর এই প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক জয়ন্ত হালদার এবং তাঁর টিম বানিয়ে ফেলেছেন এমন রাসায়নিক যৌগ, যা সুতির কাপড়, প্লাস্টিকের মতো জড় বস্তুর উপরিতলকে জীবাণুমুক্ত করতে সক্ষম। এই পদ্ধতিকে বলা হয় অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল কোটিং। স্প্রে, পেইন্ট অথবা ছোটো ছোটো ড্রপলেটের মাধ্যমে রাসায়নিকটি ছড়িয়ে দেওয়া যায় কটন, পলিইউরেথিন, পলিপ্রপিলিন, পলিস্টাইরিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইডের মতো বস্তুর ওপর। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস-সহ আরও প্রায় সব জীবাণু ধ্বংস করতে এটি ৯৯.৯৯ শতাংশ কার্যকরী। অধ্যাপক জয়ন্ত হালদারের টিমে রয়েছেন রিয়া মুখোপাধ্যায়, শ্রেয়ান ঘোষ এবং দেবজ্যোতি বসাক।
২০১৫ সালে অধ্যাপক হালদার ইবোলা ভাইরাস রুখতে এরকমই এক পদ্ধতির উদ্ভাবন ঘটিয়েছিলেন। এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে, অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল কোটিং ব্যবহার করে করোনা ভাইরাস খতম করা সম্ভব কিনা। যেহেতু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সঙ্গে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বেশ কিছু মিল রয়েছে, তাই বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, এই পদ্ধতি করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগবে। করোনা ভাইরাস এভাবে ধ্বংস করা গেলে করোনা যুদ্ধের গ্লাভস, মাস্ক, পিপিই ইত্যাদির ওপরেও রাসায়নিক প্রলেপটি ব্যবহার করা হবে।