
প্রতিদিন ১০ কিলোমিটার পেরিয়ে স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তে যেতেন বাবর আলি। স্কুলে যা কিছু শিখতেন, ফিরে এসে সেগুলোই পাড়ার বাচ্চা ছেলেমেয়েদের পড়াতেন। এভাবেই জন্ম নেয় আশ্চর্য এক স্কুল – ‘আনন্দ শিক্ষানিকেতন’।
২০০২ সাল থেকেই আশেপাশের কচিকাঁচাদের পড়াতেন মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ভাবতা গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা বাবর। তখন ৯ বছর বয়স তাঁর। ২০১৪ সালে শুরু করেন স্কুল বানানোর কাজ। বেসরকারি অনুদান থেকেই স্কুলের পথ চলা শুরু হয়। এখন সেখানে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। সম্পূর্ণ অবৈতনিক এই স্কুলে বই এবং পড়াশোনার অন্যান্য সরঞ্জামও দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের।
সেই বাবর আলির বয়স এখন ২৬। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ইতিমধ্যে লাভ করেছেন। পাশাপাশি বেড়েছে স্কুলের প্রতি দায়িত্বও।