আপনার খবর সংবাদে না শিরোনামে? দুর্গাপুজোয় উত্তর দেবে এই ‘মিডিয়া’

সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনার প্রথম কাজ কী? পেপারটা একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া। কারণ একুশ শতকে গণমাধ্যম ছাড়া রাস্তায় হাঁটাই মুশকিল হয়ে যাবে। ক্রমশ পিছিয়ে পড়বে আপনার দৈনন্দিন দিনিলিপি। তাছাড়া প্রত্যেকেই চায় নিজেকে ‘আপডেটেড’ রাখতে। যে সংবাদমাধ্যম ছাড়া আমরা প্রায় অচল, তাকেই তো কাঠগোড়ায় তুলছি প্রতিদিন। অনেকসময় কিছু না জেনেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলি ‘হলুদ সাংবাদিকতা’। কারণ হাওয়াতে গা ভাসানো আমাদের স্বভাব, মজ্জাগত। মিডিয়ার এইসব সত্যি-মিথ্যে নিয়েই বিবেকানন্দ সার্বজনীন দুর্গোৎসবের এবারের থিম- ‘খবরের উৎস থেকে উৎসবের খবর’। এককথায় গণমাধ্যম। থিমশিল্পী সায়ক রাজ।
পৃথিবীর কোন প্রান্তে কী ধরনের গণ্ডগোল হচ্ছে বা কোথায় গাছ কাটা হচ্ছে বা মন্ত্রীসভায় নতুন মুখ কারা সবকিছু নিয়েই সদা জাগ্রত সংবাদমাধ্যম। সবকিছুই উঠে আসবে বিবেকানন্দ সার্বজনীনের এবারের পুজোয়।প্রচলিত আছে ‘টাকা দিয়ে খবর তৈরি করা’। কিন্তু মানবিকতা আর দায়বদ্ধতার এই মিশেল টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব নয়, তা কটা লোক জানে! সেই অলিখিত দায়িত্ববোধের জেরেই সঠিক সংবাদ পরিবেশনে নিরন্তর পরিশ্রম করেন একদল সাংবাদিক। এখান থেকেই ‘মিডিয়া’ থিমের উৎপত্তি। মূলত তিনটি বিভাগে সাজানো হয়েছে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমগুলিকে। অডিও, ভিস্যুয়াল ও অডিও ভিস্যুয়াল। অডিওর মধ্যে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে রেডিওকে। এক্ষেত্রে মণ্ডপ সাজাতে রেডিওর বিভিন্ন জিনিস ব্যবহার করা হবে। ভিস্যুয়ালের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে সংবাদপত্রের কাটিং। এর মধ্যে আবার রাজনীতি, বিনোদন, খেলার মতো বিভেদ করা হয়েছে। আর অডিও ভিস্যুয়ালের ক্ষেত্রে টেলিভিশনের পিকচার টিউব দিয়ে সাজানো হবে মণ্ডপ। এছাড়া বহু বিশিষ্ট সাংবাদিকের ছবিও থাকবে মণ্ডপে।
ছবিসূত্র- ফেসবুক