প্রয়াত সত্যজিৎ রায়ের ‘বিমলা’, মাতৃহারা হল ‘নান্দীকার’

প্রয়াত অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক বেসরকারি হাসপাতালে আজ দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। গত ২২ মে ৭১-এ পা দিয়েছিলেন বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী।
১৯৭০-এর শুরুর দিকে এলাহাবাদে এসি বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় থিয়েটারে কাজ শুরু করেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। শুরুতে বিভি কারাট, তাপস সেন ও খালেদ চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বের উৎসাহ পেয়েছেন। ১৯৭৮ সালে চলে আসেন কলকাতায় এবং নান্দীকার নাট্যদলে যোগদান করেন। রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্তের যৌথ প্রচেষ্টায় একের পর এক সাড়া জাগানো থিয়েটার প্রযোজনা মঞ্চস্থ করে ইতিহাস তৈরি করে নান্দীকার।১৯৭৫ সালে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘ঘরে বাইরে’ ছবিতে বিমলা চরিত্রে অভিনয় করে নিজের জাত চেনান বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী। পরে শিবপ্রসাদ-নন্দিতা পরিচালিত ‘বেলাশেষে’ ছবির জনপ্রিয়তা অন্য মাত্রা পেয়েছিল। মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ানো সেই অভিনেত্রীর পথ চলা থমকে গেল অকস্মাৎ। প্রয়াত হলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘বিমলা’।
ভারতীয় থিয়েটারে অভিনয়ে অবদানের জন্য ২০১১ সালে পান সংগীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ থিয়েটার জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার এবং পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় স্বাতীলেখা সেনগুপ্তকে। তাঁর প্রয়াণে ‘বঙ্গদর্শন’ পরিবার শোকাহত।