“সহজে আসিনি, তবু সহজেই থেকে যেতে পারি”

দু-এক পা পথ চলা। একা একা হাতড়ে বেড়ানোর দুপুর। একলা কাঁসাই এক্ষুনি ডেকে উঠবে আলোর মতো। জীবন যেভাবে ছবিকে দেখায় কিংবা ছবি যেভাবে জীবনকে দেখায়- সুপ্রিয় এই জীবন আর ছবিকে একটা রেখার মধ্যে ধারণ করে রেখেছেন। নিছক ছবি তুলতে ভালোলাগে বলেই ছবি তোলা নয়, কিছু কথা বলার দায়িত্ব নিয়েই ফ্রেমের সন্ধানে নতুন রাস্তা খোঁজেন সুপ্রিয়। সুপ্রিয় তাঁর ছবির দর্শককে প্রশ্ন করতে চান বারবার এবং ছবির মধ্যে দর্শককে বেশি মাত্রায় সম্পৃক্ত করতে চান। প্রতিটা মানুষের আলাদা আলাদা গল্প আছে। সুপ্রিয় সেই গল্পগুলোই বলতে চান তাঁর ছবির মাধ্যমে। তিনি মনে করেন, একটা ছবি ঠিক যেন কবিতা কিংবা কবিতা মায়ের মতো। পদবী লুপ্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে কাজে কাজে। মূলত মোবাইল ক্যামেরাতেই তোলা অধিকাংশ ছবি। হেঁটে বেড়ানোর দিনগুলোর সঙ্গী এইসব শহুরে রং। ছবি তোলার নেশা ছাড়াও সুপ্রিয় মিত্র নিয়মিত লেখালেখির চর্চা বজায় রেখেছেন। বাঁশি আর গিটারে যেকোনো মুহূর্তে কেটে যেতে পারে তাঁর একলা থাকার ঘর। বর্তমানে একটি সংবাদপত্রে কর্মরত। বঙ্গদর্শনের ‘ছবিমহল’ বিভাগে রইল আলোকচিত্রী, কবি, গদ্যকার সুপ্রিয় মিত্রের বাছাই করা আটটি ছবি। আসুন, গ্যালারি ঘুরে দেখি...
“শুধু কিছু ফাঁক রেখে উল্টে দিয়েছ পাতা”
“একটি জন্ম গল্পের মতো/ আরেক জন্ম ভালোবাসা তুমি নাস্তিক”
“জাতিস্মরের ছাই পিণ্ড ঘেঁটে নাম পেয়েছে আমাদের সন্তান”
“বৃষ্টি, খেলনা ও নূপুরের প্রশ্নোত্তর/ আমায় কীভাবে সব ভুলিয়ে রেখেছে...”
“সহজে আসিনি, তবু সহজেই থেকে যেতে পারি”
“আরও কয়েকটা জন্ম এমন কাটবে জানি/ পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা চিতায়”
“এসো আমারও গলায় তুমি/ মালা হয়ে জেগে ওঠো শ্মশানতলায়...”
“স্মৃতির চরণ থেকে এইসব আহুতির ছাই/ সাদাকালো আবির হয়ে উঠে আসে হাতে”
ছবির কথা- সুপ্রিয় মিত্র