শুভম গুঁইন-এর ফ্রেম ছুঁয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার রং

মায়ের শাড়ির আঁচল থেকে রাজনীতির ঠেক- সবকিছুর মধ্যেই মিশে আছে রং। এমন কিছু রং যা আমাদের চেতনার কথা বলে। সমস্ত কেঁদে হেসে ওঠার সাক্ষী, প্রথম শহরে পা কিংবা গ্রামের সেই ফেলে আসা বাড়িটি। রঙের আরেকটা নাম কি পিছুটান হতে পারে? ধরুন রং এমন একটা জিনিস যা দেখলে বোঝা যায় মানুষ অন্ধ নয়, অথবা রঙের খেলায় মেতে থাকে মানুষের মুড- বেঁচে থাকার বিভিন্ন পর্যায়, কিংবা একটা মানুষের আবেগের স্তরে মিশে যেতে থাকে রং।
বর্ধমানের ছেলে শুভম গুঁইন। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর পর্বে পড়াশোনা করছেন। এর মাঝেই প্রায় পাঁচ বছর ধরে ফটোগ্রাফির নেশা তাঁকে আঁকড়ে ধরে। আগে মোবাইলে ছবি তুলতেন। এখন পারিপার্শ্বিক রংকে ফ্রেম বন্দি করেন ক্যামেরাতেই। আজকের ছবিমহল জুড়ে রঙের নেশা লাগুক। এক একটি ছবি হয়ে উঠুক কবিতা কিংবা আস্ত এক একটা চলচ্চিত্র।
স্বপ্নকে দেয় সর্বশরীর, সমক্ষে সে ভাসে না।
দ্বিতীয় সাক্ষী ছিল তোমার হত্যাকারী চোখ
আর তৃতীয় সাক্ষী আমার রক্তের সঙ্গে ওতপ্রোত শুয়ে আছে।
যাকে চিনি না কিংবা যে অপরিচিত হয়ে যাচ্ছে
তাকে আর কেন হাতরিয়ে খোঁজা
কিন্তু আমি যে বৃত্তে আবদ্ধ হতে চাই না। আমি চাই অসীমের অধিকার।
ভিখারিদের কি ডাকাত হতে ইচ্ছে করবে না একদিনও??
ওটা কি আঁকলে? ওটা তো একটা হৃদয়।
আধধোয়া সে কাপে লেগেছিলো অনেক মেহনতি মানুষের ঠোঁটের ছোঁয়া
আলোকচিত্রী- শুভম গুঁইন
ঋণ- পূর্ণেন্দু পত্রী