যে ছবি ছেলেবেলার কিংবা কোনো স্বপ্নের...

“জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি, বছরের পার,-/ তখন হঠাৎ যদি মেঠো পথে পাই আমি তোমারে আবার!” সায়নী চক্রবর্তী তাঁর ছবিতে খুঁজে নিতে চান এক প্রকাশ্য চলমানতা। যে ছবি কথা বলে, হাঁটে, হাসে, কাঁদে- তারা যেন ঈশ্বর স্বরূপ। সায়নী সেখানে নিজেকে বসান। ছোটো থেকেই ফটোগ্রাফির প্রতি শখ তাঁকে আড়াল করে রেখেছে আর পাঁচটা মানুষের থেকে। আড়ালে গিয়ে তিনি প্রকৃতি খোঁজেন। শুধুমাত্র গাছ, মাঠ, পাখি, চাঁদ নয়, মানুষের নিজের ভিতর যত্ন করে রাখা যে প্রকৃতি, তাকেই গোপনে গভীরে রেখে দিতে চান। এখানেই বাস তাঁর। সায়নী আশুতোষ কলেজের স্নাতক স্তরের ছাত্রী। বিষয় ইংরেজি সাহিত্য। তাঁর সঙ্গে কথা বললে কথায় কথায় উঠে আসবে ছেলেবেলার কথা। যেখানে বারবার পৌঁছে যেতে চান তিনি। এই ছবিও আমাদের ছেলেবেলার কথাই বলে উঠছে কোথাও। কথাগুলি যতটা সায়নীর, ততটাই আমাদের। এখানেই শিল্পীর আরাম, শিল্পের আরাম। ছবিমহলে আজ আলোকচিত্রী সায়নী চক্রবর্তী। আর পাঁচটা গ্যালারিতে যেভাবে ছবি দেখেন, মতামত জানান- এখানেও তাই। সায়নীর বাছাই করা সাতটি ছবি তোলা রইল এখানে। আসুন, ঘুরে দেখি...
তাই স্বপ্ন দেখব বলে
সীমান্ত
স্বপ্ন
একা সীমানা ছাড়ায়ে
ছোটোবেলা
তিস্তা