ঋতঙ্করের ছবির দুনিয়ায় অতি-সাধারণ মানুষদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কিসসা

ঋতঙ্কর মজুমদার, বিকম অনার্সের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ছোটোবেলায় কোথাও ঘুরতে গেলে হাতে থাকত ক্যামেরা। নিছক ভালোবাসার বশেই ছবি তোলার আকর্ষণ তখন থেকেই। ঋতঙ্করের মতে, ফটোগ্রাফি এমন এক মাধ্যম যেখানে সময় বা স্পেসকে সযত্নে ধরে রাখা যায়। ছবির মাধ্যমে সত্য, কল্পনা, আলো, ছায়া মিশিয়ে নতুন একটা দুনিয়া তৈরি করা যায়।
ঋতঙ্কর বলছেন, “আমি সবসময়ই চেয়েছি দর্শকদের একটা আলাদা অনুভূতি দিতে। কখনোই সুন্দর আকাশ, পাহাড় বা ফুলের ছবি তুলতে চাইনি। প্রকৃতির এই নিজস্ব সৌন্দর্যের উপর ভাগ বসাবার অধিকার আমার নেই। মধ্যবিত্ত পরিবারে বড়ো হয়েছি। মানুষের ছোটো ছোটো ইচ্ছা-অনিচ্ছাগুলো বোঝার চেষ্টা করি। আমার ছবি যাতে ডক্যুমেন্ট হিসাবে তুলে ধরতে পারি, সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি”।
ঋতঙ্করের ছবির বিষয় মূলত সমাজের প্রান্তিক মানুষ। “আমার সবসময় মনে হয়, যদি কোনো মানুষকে সমাজ সম্পর্কে ধারণা দিতে হয়, তাহলে শুরুতে এই প্রান্তিক বা অতি সাধারণ মানুষের কথাই বুঝতে হবে। সেই কারণে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের ছবি তুলতে ভালো লাগে। সেখানে মানুষের আসল রুপটা ফুটে ওঠে। ধর্ম, কর্ম, রং, বর্ণ সবকিছুর ঊর্দ্ধে তখন মানুষের অন্তরের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।” — বলেন ঋতঙ্কর। আজ ছবিমহলের নতুন পর্বে দেখা যাক এই তরুণ ফটোগ্রাফারের কাজ।
ক
খ
গ
ঘ
ঙ
চ
ফটোগ্রাফার ঋতঙ্কর মজুমদার