‘ছবিমহল’-এ এই প্রথমবার বাংলাদেশের আলোকচিত্রী রাসেল রণি

একটি ছবি জীবনকে দেখায়। জীবন নামের কোনো এক নদীর ধারে বসাকালীন, যে বাতাস গায়ে এসে লাগে, তাই-ই ছবির মতো সুর তোলে। সুর তোলে নেশারুর চোখে। চোখ ভর্তি তখন ফ্রেম আর ফ্রেম। একটি আস্ত চলচ্চিত্র দৃশ্যান্তরের পথে রওনা হয় তখন। হাতে থাকে ক্যামেরা, দু-চোখে ফ্রেম। নাগালে মানুষজন, নদী-নালা আর এক আকাশ পৃথিবী। আলোকচিত্রী রাসেল রণি জানেন, সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের মধ্যে লম্বা একটা স্পেস। ফ্রেম হোক বা প্রেম, গল্পের বইয়ে ঝরে পড়ে অজস্র শিশিরবিন্দু, পার হয় ভৌগোলিক কাঁটাতার। ছবিমহলে এই প্রথমবার বাংলাদেশের শিল্পী। প্রতিটা ছবিতেও বাংলাদেশেরই ছবি ধরতে চেয়েছেন তিনি। তাঁর বাস বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায়। গোটা দেশটা রণির কাছে পাহাড় সমান, তার থেকেও বড়ো মানুষজন। ক্যামেরার চোখ গলে গিয়ে পড়ে মানুষজনের উপর। সবাই তাঁর আত্মীয়, পড়শি। আলোকচিত্রীরা ম্যাজিক জানেন- এককথা সত্যি হবে রাসেল রণির এই সাম্প্রতিক ছবিগুলি দেখলে। আসুন, গ্যালারি ঘুরে দেখি...
প্রথমে আত্মার দ্যুতি, তারপর তাকে ঘিরে মুগ্ধ আনাগোনা।
তোমাকে বাঁচাতে পারে আনন্দ । তুমি তার হাত ধরো।
আমি পৃথিবীর দুঃখী ফুল, মানুষের হৃদয়ে ফুটে...
আমি মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজিৎ, আমি জন্মযোদ্ধা।
ভালোবেসে যাকে ছুঁই, সেই যায় দীর্ঘ পরবাসে... আজ যে আঙুরগুলো আমি মাটির ভিতরে পুঁতে রেখে যাচ্ছি,
একদিন তার নেশায় মাতাল হবে ভবিষ্যতের বাংলা আমার।
তোমরা মানুষ, তাই সহজেই দুঃখ পাও, হে ঈশ্বর, আমাকে আকাশ করে দাও। আবার যখনই দেখা হবে, আমি প্রথম সুযোগেই
বলে দেব স্ট্রেটকাটঃ ‘ভালোবাসি’।
ছবি- রাসেল রণি
কথাঋণ- নির্মলেন্দু গুণ