No Image

   

00:00
00:00
Volume

 0 Songs

    অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া থেকে ক্যামেরার ঝলকানি – র‍্যাম্পে হাঁটলেন মনীষা 

    অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া থেকে ক্যামেরার ঝলকানি – র‍্যাম্পে হাঁটলেন মনীষা 

    Story image

    এই রাজ্যে অ্যাসিড ভিক্টিম মনীষা পৈলানকে চেনেন না, এরকম মানুষ খুব কমই আছেন। মনীষা নিজের অদম্য সাহস আর জেদের জেরে সমাজের মূলস্রোতে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন হেরে যাওয়া লোকেদের ক্ষমা-ঘেন্না করেও দুর্দান্তভাবে বাঁচা যায়। কারণ জীবন অনেক বিস্তৃত। সেই বিস্তৃত জীবনে ঘরের কোণে চুপ করে বসে থাকলে বা গুমরে গুমরে কাঁদলে চলবে না। চ্যালেঞ্জ অ্যাক্সেপ্ট করতে হবে। তবেই বিপর্যয়ে অন্য ভিক্টিমদের পাশে দাঁড়াতে পারবেন এরকম হাজার হাজার মনীষারা। 

    ঝাঁ চকচকে আলো আর ক্যামেরার সামনে র‍্যাম্পে হাঁটা আমরা আমরা বুঝি সুন্দর চেহারা, টিকালো নাক, কাজল কালো চোখ, ফর্সা গায়ের রং – এই হল সুন্দরের কয়েকটি উপমা। আর ভিতরের সৌন্দর্যের কথা কজনই বা খোঁজ নিই বলুন তো? এই চেনা ছকের বাইরে গিয়ে নতুন পথে হাঁটলেন কলকাতার ফ্যাশন ডিজাইনার সুজয় দাশগুপ্ত। তথাকথিত র‍্যাম্প ওয়াকের ভাবনা থেকে বেরিয়ে কয়েকদিন আগেই দেরাদুন ফ্যাশন উইকে মনীষা পৈলানকে নিজের শোয়ের শো-স্টপার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সুজয়।

    ছোটো থেকে সাজগোজ করতে ভালোবাসা মেয়েটির কথা বুঝেছে এক অংশের সমাজ। ৬ মে, ২০১৯ সালে বঙ্গদর্শনকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মনীষা বলেছিলেন, “আমার তো এক একসময় মনে হয় পুরুষতান্ত্রিক সমাজ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধুমাত্র যে ছেলেদের মধ্যেই পুরুষতন্ত্র আছে এমনটা নয়, প্রচুর মেয়েদের মধ্যেও আছে। প্রচুর মেয়েও কিন্তু এই নোংরা ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এই তো কিছুদিন আগে এক ননদ তার বৌদির গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়েছে। এখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউ বাদ যাচ্ছেন না। প্রত্যেককেই স্বীকার হতে হচ্ছে। খোলা বাজারে অ্যাসিড বিক্রি, সাজা না পাওয়া, আইনের গাফিলতি এগুলো এমন একটা জায়গায় চলে গেছে, যা দেখলে বোঝা যায় মানুষের বিকৃতি কোন জায়গায় পৌঁছেছে।”

    মনীষা, যিনি বলেন, পোড়া দাগের চেয়ে জীবন অনেক সুন্দর।

    বঙ্গদর্শনের সপ্তাহের বাছাই করা ফিচার আপনার ইনবক্সে পেতে

    @