লন্ডনকে হারিয়ে ইলেকট্রিক বাস পরিষেবায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে কলকাতা

তিলোত্তমা কলকাতা আবার নজির গড়ল। ইলেকট্রিক বাস চলাচলে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিল রাজধানী। এমনকি লন্ডনের মতো আন্তর্জাতিক শহরকে পিছনে ফেলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন শুধুই কলকাতার যাত্রী পরিবহনের এই বিকল্প মাধ্যম।
তবে কলকাতা শহরে ইলেকট্রিক বাস চলাচল নতুন নয়। প্রায় দুই বছর আগেই ২০১৯ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট অথরিটি ইলেকট্রিক বাস চলাচল শুরু করে। যার প্রত্যেকটিই ভারতে উৎপাদিত। সুত্রের খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত কলকাতার রাস্তায় প্রায় ১০০টি ই-বাস চালায় WBTC। মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা রয়েছে আগামী দশ বছরের মধ্যে অন্তত ৫,০০০ বাস নামানোর। এর মাধ্যমে কলকাতা শহরে দূষণ কমবে বিপুল হারে।
ইভি সিটি কেসবুক (EV City Casebook)-এর মাধ্যমে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য শহরগুলিতে কীভাবে ইলেকট্রিক যানের পরিবহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তার একটি সমীক্ষা করা হয়। আগের মতো চলতি বছরেও সমীক্ষায় উঠে আসে সিটি অফ জয় কলকাতার নাম। সমীক্ষায় কলকাতার পাশাপাশি ছিল ব্রিটেনের লন্ডন, চিনের শেনজেন, চিলির স্যান্টিয়াগো, কানাডার ভ্যানকুভার।
সমীক্ষায় দেখা গেছে এক নম্বর স্থানে রয়েছে চিনের বিখ্যাত শেনজেন শহর। তৃতীয় স্থানে কলকাতা। এছাড়া গুজরাতের আহমেদাবাদের নামও এসেছে এই সমীক্ষায় (যদিও ইলেকট্রিক বাস নয়, ইলেকট্রিক ট্যাক্সির সেগমেন্টে)। কলকাতার এই নয়া মুকুটে গর্বিত দেশের ১৩৫ কোটি মানুষ। বিশ্বের মানচিত্রে আরও একবার নিজের জায়গা করে নিয়ে তিলোত্তমা বলছে, “এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা”।