No Image

   

00:00
00:00
Volume

 0 Songs

    জলশ্রী – চন্দননগরের গঙ্গায় ভাসমান রেস্তোরাঁ 

    জলশ্রী – চন্দননগরের গঙ্গায় ভাসমান রেস্তোরাঁ 

    Story image

    কলকাতা ফ্লোটেলের পাশাপাশি চন্দননগরেও এবার চালু হতে চলেছে জলশ্রী। গঙ্গার ওপর ভাসমান রেস্তোরাঁয় স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকরা পাবেন আন্তর্জাতিকতার স্বাদ। 

    প্রাক্তন ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগর। এখানকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও তাক লাগানোর মতো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, নদী পর্যটন প্রকল্পে যুক্ত হবে আকর্ষণীয় সব জলপথ। আর তাতে চন্দননগর অন্যতম প্রধান ভূমিকা রাখবে, সন্দেহ নেই।

    চন্দননগরে জলশ্রীর উদ্বোধন অনুষ্ঠান

    এক সময়ে দুর্ধর্ষ জলদস্যুরা দাপিয়ে বেড়াত এখানে। তা সত্ত্বেও চন্দননগরের বেশ কিছু বণিক পরিবারের ময়ূরপঙ্খী জাহাজ পাড়ি দিত দূর-দূরান্তে। প্রাচীন কাল থেকেই গঙ্গার বুকে যুদ্ধ-রক্তক্ষয়-বাণিজ্যযাত্রার সাক্ষী চন্দননগর। এখানকার এবং গোটা বাংলার পুরোনো ঐতিহ্য মনে করিয়ে দেবে রেস্তোরাঁ বোট জলশ্রী। ঐতিহাসিক চন্দননগর স্ট্র্যান্ডের পাশেই জেটিতে রাখা থাকবে এটি। হেরিটেজ ক্রুজ ট্যুরিজমকে কেন্দ্র করে বেড়ে উঠবে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান।

    রেস্তোরাঁ বোট জলশ্রী 

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে জলশ্রী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের সভাপতি ইন্দ্রনীল সেন, পর্যটন সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, হুগলির জেলা শাসক ওয়াই. রত্নকারা রাও, উত্তরপাড়া পুরসভার প্রশাসক দিলীপ যাদব এবং পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৌশিক ভট্টাচার্য। 

    গঙ্গার ওপর ছোটো অনুষ্ঠানের জন্য আদর্শ এই জায়গা

    রেস্তোঁরা বোটটি ৩৩ মিটার লম্বা, ৪.৮৭ মিটার চওড়া এবং ১.৪০ মিটার গভীর। ১৬০ পিসি-র ইঞ্জিনে গতিবেগ ৬ নট। কমবেশি ৫০ জন লোক অনায়াসে থাকতে পারেন রেস্তোরাঁয়। ছোটোখাটো অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া নেওয়া যেতে পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নিচের ডেকে সাউন্ড সিস্টেমের বন্দোবস্ত আছে। এছাড়াও বিনামূল্যে ওয়াইফাই পাওয়া যাবে। গঙ্গার ওপর ছোটো অফিস মিটিংয়ের জন্য আদর্শ এই জায়গা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের এক আধিকারিক জানালেন, “বোট রেস্তোরাঁ ব্যবহার করা যাবে ছোটো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিটিং এবং কনফারেন্সে।” জলশ্রী চালু হলে যেমন অনেক বেশি পর্যটককে আকর্ষণ করবে, তেমনি গাইড, বোট সার্ভিস প্রোভাইডার, ট্যুরিজম হেল্পারের কাজ করে স্থানীয়রাও উপার্জনের সুযোগ পাবেন।

    বঙ্গদর্শনের সপ্তাহের বাছাই করা ফিচার আপনার ইনবক্সে পেতে

    @