No Image

   

00:00
00:00
Volume

 0 Songs

    রাজ্য পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে চালু হল বেঙ্গল হিমালয়ান কার্নিভাল

    রাজ্য পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে চালু হল বেঙ্গল হিমালয়ান কার্নিভাল

    Story image

    প্রথমবারের মতো উত্তরবঙ্গে আয়োজিত হল ‘বেঙ্গল হিমালয়ান কার্নিভাল’। কোভিড মহামারির পর রাজ্যের পর্যটন শিল্পে গতি আনতে ফেব্রুয়ারির ৫ থেকে ৭ তারিখ দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির গজলডোবায় নেওয়া হয়েছিল এই উদ্যোগ। সারা পৃথিবীর মতো পশ্চিমবঙ্গেরও পর্যটন ক্ষেত্র ২০২০ সালে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। পাহাড়ে ভ্রমণকে উৎসাহ দিতে যথাযথ সময়ে যৌথভাবে কার্নিভালটির আয়োজন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তর এবং হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্ক। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি ছিল। 

    দার্জিলিং শহরে কার্নিভালের উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তী। ৬ ফেব্রুয়ারি কালিম্পং পর্বের সূচনা করেন জেলা শাসক। গজলডোবা পর্বের উদ্বোধন করেন রাজ্য সরকারের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। এই পর্বের মাধ্যমেই কার্নিভালের সমাপ্তি ঘটে। 

    ৫ ফেব্রুয়ারির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের (এইচএমআই)-এর প্রিন্সিপ্যাল ছাড়াও হাজির ছিলেন এভারেস্ট বিজয়ী জামলিং তেনজিং। হস্তশিল্পের বাজার এবং স্থানীয় খাবারের স্টল ছিল অন্যতম আকর্ষণ। এইচএমআই প্যাভিলিয়নে পর্বতারোহীদের সঙ্গে কথাবার্তার বন্দোবস্ত হয়। এছাড়া ছিল পর্যটন স্টল এবং ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী। আয়োজিত হয় দার্জিলিং হেরিটেজ ওয়াক। তারপর বিখ্যাত পাইন ট্রি হোটেলে গ্রামীণ পর্যটন নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    ৬ ফেব্রুয়ারি কার্নিভাল চলে যায় কালিম্পংয়ে। ডেলো ট্যুরিস্ট লজের মাঠে কালিম্পং পুলিশ মার্চপাস্ট ব্যান্ডের অনুষ্ঠান মুগ্ধ করে সবাইকে। আর ছিল লায়ন ডান্স। কালিম্পং থানার শতবর্ষ উপলক্ষ্যে কালিম্পং জেলার এসপির হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশেষ স্মারক। দার্জিলিংয়ের মতো এখানেও হেরিটেজ ওয়াকের মাধ্যমে ঘুরিয়ে দেখানো হয় নানা প্রাচীন স্থাপত্য এবং প্রতিষ্ঠান। 

    কার্নিভালের ডুয়ার্স সংস্করণের উদ্বোধন হয় জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবায় ভোরের আলো গ্রাউন্ডে। সঙ্গে ছিল রাজ্য পর্যটন বিভাগের স্টল এবং অ্যাডভেঞ্চার অ্যাকটিভিটি প্যাভিলিয়ন। গরুমারা অভয়ারণ্যের ২৫তম বছরে পা দেওয়া উপলক্ষ্যে বন দপ্তরের আধিকারিকরা এবং লাটাগুড়ি পর্যটনের স্টেকহোল্ডারদের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। হাসি-মজায় ভরপুর বাইকার’স মিট উপভোগ করলেন সবাই। তবে এই পর্বে পাখিপ্রেমী, পাখি ফটোগ্রাফার এবং উৎসাহীদের জন্য গজলডোবার পাখি বিতান পাখিরালয়ে বার্ড ম্যারাথন (পাখি পর্যবেক্ষণ)-কে গুরুত্ব দেওয়া হয় সবচেয়ে বেশি।
     
     
     

    বঙ্গদর্শনের সপ্তাহের বাছাই করা ফিচার আপনার ইনবক্সে পেতে

    @