মহা সাড়ম্বরে চন্দননগরে অনুষ্ঠিত হল ছোটোদের ছায়াছবি

দ্বিতীয়বারের জন্য চন্দননগরের রবীন্দ্র ভবনে অনুষ্ঠিত হল ছোটোদের ছায়াছবি, অর্থাৎ চন্দননগর শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজক তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সমগ্র চলচ্চিত্র উৎসবটির তত্ত্বাবধায়ক চন্দননগরের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। সহযোগিতায় চন্দননগর পৌরনিগম।
গত ৭ মার্চ থেকে ১০ মার্চ চার দিনের এই জমজমাট উৎসবে দেখানো হল বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার মোট দশটি ছোটোদের ছায়াছবি। উদ্বোধনী ছবি হিসেবে দেখানো হল সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ছবি ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’।
গত ৭ মার্চ থেকে ১০ মার্চ চার দিনের এই জমজমাট উৎসবে দেখানো হল বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার মোট দশটি ছোটোদের ছায়াছবি। উদ্বোধনী ছবি হিসেবে দেখানো হল সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ছবি ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’। ৭ মার্চ, বৃহস্পতিবার বিকেলে চন্দননগর রবীন্দ্র ভবন-এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক মুহূর্ত শুরু হয়। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক মুক্তা আর্য্য, পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগী, ডিসি হেডকোয়ার্টার ঈশানি পাল, ডিসি চন্দননগর ভাওয়াল, মেয়র রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল প্রমুখ।
খুদে দর্শকদের মনোরঞ্জনের লক্ষ্যে চন্দননগর রবীন্দ্র ভবন চত্বরকে গভীর জঙ্গলের আদলে সাজানো হয়। সবুজে ঘেরা সেই জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় কৃত্রিম অ্যানাকোন্ডা, ভাল্লুক, বাঘ, সিংহ, শিম্পাঞ্জি, বানরকে। দেখা মেলে টারজানেরও। প্রতিদিন তিনটি করে ছবি শিশুদের দেখানো হয়। তালিকায় ছিল আমল গুপ্তের স্ট্যানলি কা ডাব্বা, ব্র্যাড সিলভার্লিং-এর ক্যাসপার, ঋতুপর্ণ ঘোষের হীরের আংটি, রব মার্শালের দ্য লিটল মার্মেড, তপন সিনহার আনোখা মোতি, সাগ্নিক চ্যাটার্জির মাস্টার অংশুমান, তপন সিনহার কাবুলিওয়ালা, জেমস হিল-এর বর্ন ফ্রি এবং তপন সিনহার আজ কা রবিনহুড।
উৎসবের প্রত্যেকদিন খুদে দর্শক এবং অভিভাবকদের ভিড় ও উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। বঙ্গদর্শন.কম-কে চন্দননগরের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন জানান, “এখন সবাই মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাই বড়োপর্দায় তথ্যবহুল ও বিনোদনমূলক চলচ্চিত্র দেখিয়ে শিশুদের বিনোদন দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।” বিশেষভাবে উল্লেখ্য, এই শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে ১০৫টি স্কুলের ৭,৮৯৪ ছাত্রছাত্রী।