কাশী, বেনারস, যমুনার ঘাট থেকে একগুচ্ছ মুহূর্ত

বিশ্বাস একটা গভীর শব্দ। স্থানাভেদে, পরিবেশগত কারণে এবং বড়ো হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিশ্বাস এক একজনের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থিত হয়। আমাদের ছেলেবেলা এবং বড়োবেলার মধ্যে একপ্রকার ব্যবধান তৈরি হয় এই বিশ্বাসের সূত্রেই। ভারতের নানা প্রান্তে লুকিয়ে রয়েছে এমনই সব বিশ্বাস সংস্কারের রহস্য। একটু গভীরে গেলেই জট খুলবে জীবনের রাস্তার। আজকের ছবিমহলে রইল বিশ্বাসের সেই চওড়া পথ। কখনও কাশী, কখনও বেনারস, আবার কখনও যমুনার ঘাট। আলোকচিত্রী নীলাঞ্জন রায়ের ফ্রেমে ধরা দিলেন সেইসব মানুষ। যাঁরা জীবনের বিস্তার নিয়ে বেঁচে থাকেন। স্বাধীনতা সেখানেও। আসুন গ্যালারি ঘুরে দেখি...
“মকরক্রান্তির ম্যাপ ছিঁড়ে-ছিঁড়ে হেঁটে গেছে যে-যার নিজের কুয়াশায়...”
“জীবন যেন আদিম যুগের রাত তিনটের সনেট”
“মানুষ কেন মহাকাশের দূরে তাকায়? কেন যে তার ফুরোচ্ছে না জানতে চাওয়া?”
“জীবনব্যাপী যতদূরের রাস্তায়, পথেই পথ চেনা ক্লান্তি মাখা চোখ”
“সম্ভব কি হতো, যদি আমার মৃত্যুর পার থেকে ও রকম না তাকাতে- পুজো পুজো রোদ হাসিখুশি?”
“পায়ের সামনে অন্তবিহীন সমুদ্র”
“ইতিহাসের ঘুমের মধ্যে আমরা তখন, খুঁজছি যত হানাবাড়ির পাতালকক্ষ”
ছবি- নীলাঞ্জন রায়
ঋণ- কবি পিনাকী ঠাকুর