২১টি চলচ্চিত্র, ১১টি জাতীয় পুরস্কার- আজ ঋতুপর্ণ ঘোষের ৫৬তম জন্মদিন

‘ঋতু’ শব্দটা এলেই কেমন যেন পরিবর্তন শব্দটাও মাথায় ঘুরপাক খায়। ছোটোবেলায় মা বলত, এক ঋতু আসে, আরেক ঋতু যায়। ঋতুদের স্বভাবটাই আসলে এরকম। সে সদা পরিবর্তনশীল। শুনে ভারি অবাক লেগেছিল। যেন কোনো স্থিরতা নেই। মানুষের মতোই। ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে হাজার হাজার সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক, ভালোবাসা-ঘৃণা-প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির চেনা-অচেনা গল্প। ভারতীয় চলচ্চিত্রে যাঁর পদচারণা বীরের মতো। একটা দমকা হাওয়ার মতোই হঠাৎ একদিন এসে পড়েছিলেন। আর তখন থেকেই প্রত্যেকে ভাবতে শুরু করেছিলেন, ঋতুপর্ণকে মানিয়ে নেওয়া বেশ শক্ত। কারণ তিনি স্রোতের বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে হালকা হাসেন শুধু, শান্ত চোখে পাখি ওড়া দেখেন আর ভালোবাসেন ব্রত-উপচারের কথা শুনতে। খুব চেনা অথচ অচেনা একটা ছেলে। পুরুষতন্ত্রকে যিনি ছিন্নভিন্ন করে সিনেমার মোড়কে নিয়ে এসেছিলেন যুগোত্তীর্ণ নারীদের।
এটাই ঋতুপর্ণ। ভাঙাগড়ার ঋতুপর্ণ। আজ তাঁর ৫৬তম জন্মদিন। তাঁর লাইন ধার করেই স্বীকার করতে হয়, “সেই বুকের থেকে টুপ্ টুপ্ টুপ্ নীল কুয়াশা ঝরে/ আর মনখারাপের খবর আসে আকাশে মেঘ করে/ সারা আকাশ জুড়ে।” আজ ছবিমহলে থাকল ঋতুপর্ণ ঘোষের কিছু বিখ্যাত চলচ্চিত্রের দৃশ্য। যে দৃশ্য কখনও কথা বলে ওঠে, কখনও আপন মনে গান গাইতে শুরু করে ঋতুপর্ণোচিত স্বভাবে। শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসুন গ্যালারি ঘুরি...
হীরের আংটি (১৯৯২)
উনিশে এপ্রিল (১৯৯৪)
বাড়িওয়ালি (১৯৯৯)
উৎসব (২০০০)
চোখের বালি (২০০৩)
রেনকোট (২০০৪)
অন্তরমহল (২০০৫)
দোসর (২০০৬)
দ্য লাস্ট লিয়ার (২০০৭)
সব চরিত্র কাল্পনিক (২০০৮)
আবহমান (২০১০)
চিত্রাঙ্গদা (২০১২)
ছবি- সংগৃহীত