No Image

   

00:00
00:00
Volume

 0 Songs

    সরাসরি জেলার সমবায়গুলি থেকে কেনা ভেজালহীন দুধই বাংলার ডেয়ারির সম্পদ  

    সরাসরি জেলার সমবায়গুলি থেকে কেনা ভেজালহীন দুধই বাংলার ডেয়ারির সম্পদ  

    Story image

    মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত প্রকল্প বাংলার ডেয়ারি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন কোম্পানি বাংলার ডেয়ারি, বাংলার ডেয়ারি লিমিটেড, বাংলার ডেয়ারি, রাজ্যের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে খুলছে বাংলার ডেয়ারির স্টল, রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে খুলছে বাংলার ডেয়ারির স্টল, সুলভে পুষ্টিকর দুগ্ধজাত পণ্য

    সুলভে পুষ্টিকর দুগ্ধজাত পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত প্রকল্প বাংলার ডেয়ারি 

    মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত প্রকল্প বাংলার ডেয়ারি (Banglar Dairy)। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন কোম্পানি বাংলার ডেয়ারি, প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় কাজ করে। ২০২১ সালের নভেম্বর মাস থেকে বাণি‍জ্যিক কাজ শুরু করেছে বাংলার ডেয়ারি লিমিটেড। মাদার ডেয়ারির নাম বদলে নাম দেওয়া হয়েছে বাংলার ডেয়ারি।

    কয়েকটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই কোম্পানি স্থাপিত হয়েছে। 

    (ক) পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের দুগ্ধ চাষে উৎসাহিত করা এবং দুগ্ধচাষিদের পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করার মাধ্যমে দুগ্ধশিল্পের সার্বিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখা।

    (খ) দুগ্ধচাষিদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত কাঁচা দুধ সংগ্রহ করা এবং দুধের গুণমান অনুযায়ী যাতে চাষিরা ন্যায্য দাম পেতে পারেন তা সুনিশ্চিত করা।

    (গ) উৎকৃষ্ট গুণমান যুক্ত দুধ উৎপাদন করে তা উপভোক্তাদের কাছে সুলভ মূল্যে সরবরাহ করা।

    (ঘ) কর্মসংস্থানের বিকল্প সুযোগ তৈরি করা।

    শিলিগুড়ির বন্ধ হয়ে যাওয়া হিমুল দুগ্ধ প্রকল্পের জায়গাতেই প্রথমে এই প্রকল্প শুরু করা হয়েছিলো। প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাতে ৫১২ টি বিপনন কেন্দ্র (Outlet) নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো বাংলার ডেয়ারি। এখন রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে খুলছে বাংলার ডেয়ারির স্টল। রাজ্য সরকার এই বিপনন কেন্দ্রগুলি খোলার জন‍্য ভর্তুকি দিয়ে থাকে। এখন রাজ্যে বাংলার ডেয়ারির বিপনন কেন্দ্র বেড়ে হয়েছে ৫৭৪ টি। এর মধ্যে আছে কিয়স্ক, মিনি ডেয়ারি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি।

     

    এই কয়েক বছরে এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের প্রতিটিই বহুল পরিমাণে পূরণ করা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত দুগ্ধ সমবায়গুলির (সুন্দরবন দুগ্ধ সমবায় সমিতি, কংসাবতী দুগ্ধ সমবায় সমিতি, ভাগীরথী দুগ্ধ সমবায় সমিতি, প্রভৃতি) মা‍ধ্যমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি দুগ্ধ সংগ্রহ করা হয়। সারা রা‍জ্য জুড়ে সংগৃহীত কাঁচা দুধের পরিমাণ দৈনিক প্রায় এক লাখ লিটার। কৃষকদের দেওয়া হয় ন্যায্য মূ‍ল্য। এরপর ডানকুনি ও মাটিগাড়ায় অবস্থিত দুগ্ধপ্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলিতে সংগৃহীত কাঁচা দুধের প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। তা থেকে তৈরি হয় বিভিন্ন সুস্বাদু ও সুলভ মূল্যের দুগ্ধজাত খা‍দ্য, যেমন- পনির, মিষ্টি দই, টক দই, প্রোবায়োটিক দই, প্রক্রিয়াজাত দুধ, লস্যি, ঘি, পেঁড়া, আইসক্রিম, ফ্লেভারড ইয়গার্ট ইত্যাদি। সেগুলি বিক্রি করা হয় বাংলার ডেয়ারির নিজস্ব বিপনন কেন্দ্রগুলি থেকে। এই দুগ্ধজাত পণ্যগুলি সম্পূর্ণ ভেজালবিহীন, রাসায়নিক মুক্ত এবং পুষ্টিকর। 

    শিলিগুড়ির বন্ধ হয়ে যাওয়া হিমুল দুগ্ধ প্রকল্পের জায়গাতেই প্রথমে এই প্রকল্প শুরু করা হয়েছিলো। প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাতে ৫১২ টি বিপনন কেন্দ্র (Outlet) নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো বাংলার ডেয়ারি। এখন রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে খুলছে বাংলার ডেয়ারির স্টল।

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বাংলার ডেয়ারি লিমিটেড কৃষকদের কাছ থেকে ৩.৪২ কোটি লিটার কাঁচা দুধ সংগ্রহ করেছে এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার পদ্ধতিতে দুধের ভর্তুকি বাবদ প্রাপ্ত ২৫ কোটি টাকা সহ ১১০ কোটি টাকা হস্তান্তর করেছে ৫২০০০ এরও বেশি কৃষককে, সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। 

    রাজ্য সরকারের কাছে ন্যায্যমূ‍ল্যে নিজেদের পণ্য বেচতে পারার ফলে চাষিদের মধ্যেও দুগ্ধ উৎপাদনের উৎসাহ বেড়েছে। তাঁদের দুগ্ধ উৎপাদনে উৎসাহ দিতে রা‍জ্য সরকারও বিভিন্ন আর্থিক ও পরিকাঠামোগত সহায়তা দিয়ে থাকে। বিভিন্ন বিপনিতে হয়েছে প্রচুর পরিমাণ কর্মসংস্থান। 

    উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলার ডেয়ারি লিমিটেড তার দুগ্ধপ্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলির আধুনিকীকরণের কাজ শুরু করেছে। দৈনিক এক লক্ষ লিটার দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি অত্যাধুনিক কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার জন‍্য রাজ্য সরকার নির্দিষ্ট তহবিল বরাদ্দ করেছে। 

    বঙ্গদর্শনের সপ্তাহের বাছাই করা ফিচার আপনার ইনবক্সে পেতে

    @