No Image

   

00:00
00:00
Volume

 0 Songs

    জ্যোৎস্না আলোর করুণ সুর অরিত্র দালালের ছবিতে

    জ্যোৎস্না আলোর করুণ সুর অরিত্র দালালের ছবিতে

    Story image

    ছবি জীবনকে দেখায়। জীবন নামের একটি নদীর ধারে বসাকালীন, যে বাতাস গায়ে এসে লাগে, তাই-ই ছবির মতো সুর তোলে। সুর তোলে নেশারুর চোখে। যার হাতে ক্যামেরা, দু-চোখে ফ্রেম। নাগালে মানুষজন, নদী-নালা আর এক আকাশ পৃথিবী। তরুণ আলোকচিত্রী অরিত্র দালাল জানেন, চাঁদ আর পূর্ণিমার ব্যবধান সামান্যই। চাঁদের গায়ে চাঁদ লাগলে কথা বলে ওঠে ফ্রেম অথবা প্রেম। এক চোখ থেকে আরেক চোখে নেশা ঝরে যায়। পাগলের মতো একঝাঁক পাখি উড়ে গেলে অরিত্র সেসব ধরে রাখে দু-চোখে কিংবা ক্যামেরায়। গোটা পৃথিবীটা অরিত্রর কাছে পাহাড় সমান, তার থেকেও বড়ো মানুষজন। ক্যামেরার চোখ গলে গিয়ে পড়ে মানুষজনের উপর। সবাই তাঁর আত্মীয়, পড়শি। ‘ছবিমহল’ বিভাগে আজকের আলোকচিত্রী অরিত্র দালাল। বাস উত্তর চব্বিশ পরগণার টাকিতে। ছোটো থেকেই ভারত-বাংলাদেশ- এই দুই দেশের আদর দেখে বড় হয়েছেন। বর্ডারে একা একা বসে থাকাতে খুঁজে পান আনন্দ। আর দুই দেশকে মিলিয়ে দেওয়া নদী ইছামতী মুচকি হাসে। ইছামতী-অরিত্র এক গাঁয়ের বন্ধু। আসুন, গ্যালারি ঘুরে দেখি... 

    “আলোর পাশে আকাশ/ আমার দিকে তাকা–/ তাকাই যদি চোখ/ একটি দীঘি হোক”
    মন্দারমণি, পূর্ব মেদিনীপুর

     

    “শোনো, আমি রাত্রিচর। আমি এই সভ্যতার কাছে/ এখনো গোপন ক’রে রেখেছি আমার দগ্ধ ডানা”
    ময়দান, কলকাতা 

     

    “পৃথিবী দেখুক, এই তীব্র সূর্যের সামনে তুমি/ সভ্য পথচারীদের আগুনে স্তম্ভিত ক’রে রেখে/ উন্মাদ কবির সঙ্গে স্নান করছো প্রকাশ্য ঝর্ণায়।”
    বাগবাজার, কলকাতা

     

    “তোমাকে ফুলের দেশে নিয়ে যাবে ব’লে যে-প্রেমিক/ ফেলে রেখে গেছে পথে, জানি, তার মিথ্যে বাগদান/ হাড়ের মালার মতো এখনো জড়িয়ে রাখো চুলে।”
    বাগবাজার, কলকাতা 

     

    “সারাদিন সেই এক সংসার/ সেই এক জানালা আর ছাদ...”
    মন্দারমণি, পূর্ব মেদিনীপুর

     

    “সর্বনাশের এপার ওপার দেখা যায় না/ কিন্তু আমি দেখতে পেলাম, রাঙা আলোয়/ দাঁড়িয়ে আছে সে-ছন্দ, সে-কীর্তিনাশা।”
    সেন্ট্রাল, কলকাতা

     

    বঙ্গদর্শনের সপ্তাহের বাছাই করা ফিচার আপনার ইনবক্সে পেতে

    @